প্রচণ্ড গরম: হিটস্ট্রোকে ৬ জনের মৃত্যু

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


সারাদেশের তাপমাত্রা বেড়েছে। গতকাল সিলেটে ছিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজও সারাদেশে প্রায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে প্রচণ্ড গরমের কারণে হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন- শিবগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মর্দানা গ্রামের খুদু মণ্ডলের ছেলে মাছ ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম (৪০), ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের যুক্তরাধাকান্তপুরের জামাল উদ্দিন (৫২), পাঁকা ইউনিয়নের চরলক্ষিপুরের আফসার আলীর ছেলে আবদুল মালেক (৪০), উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের ত্রিমোহনী বাজারের শামশুল হক (৭০) ও উজিরপুর ইউনিয়নের নামোটোলার লোকমান খলিফার ছেলে ইফসুফ আলী (৪০)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার মোবারকপুর ইউনিয়নে অগ্রণী ব্যাংক শাখায় বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলনের জন্য ওই ইউনিয়নের বয়স্করা ব্যাংকের নিচে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায়। এক পর্যায়ে রোদের তাপ বৃদ্ধি ও অসহনীয় গরমের ফলে ত্রিমোহনীর বাজারের শামশুল হক পাশেই পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

উজিরপুর ইউনিয়নের নামোটোলা গ্রামের (বর্তমানে পাগলা নদীর দক্ষিণে বহলাবাড়ি ঘাটের উপর বসবাসকারী) ইফসুফ আলী শনিবার বিকালে তর্তিপুর হাট থেকে কোরবানির গরু কিনে বাড়ি নিয়ে গিয়ে কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান। নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রচণ্ড রোদ ও গরমের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

পৌর এলাকার মর্দানা গ্রামের শরিফুল ইসলাম শনিবার সকালে মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে প্রচণ্ড গরমের কারণে মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলার যুক্তরাধাকান্তপুরের জামাল উদ্দিন রোববার সকাল সোয়া ৮টার দিকে গরম সহ্য করতে না পেরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

পাঁকা ইউনিয়নের আবদুল মালেক গত শনিবার দিবাগত রাতে প্রচণ্ড গরমে মৃত্য হয় বলে পাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে হিটস্ট্রোকে ১ জন মারা গেছেন। মৃত আলোমতি (১২) নারায়ণপুর ইউনিয়নের পাগলা বাজারের আছমত আলীর মেয়ে।

আলোমতির পরিবার জানিয়েছে, শনিবার রাত ১২টার দিকে প্রচণ্ড গরমে তিনি অসুস্থ বোধ করে। এর কিছুক্ষণ পরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।