পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে বিতর্ক ও শঙ্কার মধ্যেই দুই দেশের প্রতিবেশী বেলারুশের সামরিক বাহিনীর সাথে যৌথ মহড়া শুরু করেছে রুশ সামরিক বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলারুশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় পোল্যান্ড ও ইউক্রেন সীমান্তে নির্ধারিত পাঁচটি এলাকায় ১০ দিনের এই মহড়া শুরু হয়।
পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ এক মিত্র বেলারুশ। রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়দেশের সাথেই দেশটির দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।
মহড়ায় দুই দেশের মোট কত সৈন্য অংশ নিচ্ছে তা জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার রুশ সৈন্য এই মহড়ায় অংশ নিতে পারে।
রুশ প্রেসিডেন্টের দফতর ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নজিরবিহীন হুমকির মুখোমুখি’ হয়ে রাশিয়া ও বেলারুশ এই মহড়ার আয়োজন করেছে। রাশিয়ার এই মহড়াকে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে আমেরিকা।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি দফতর হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যদি আমরা এই সামরিক মহড়ার দিকে লক্ষ্য করি, তবে আমরা একে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি উসকানিমূলক এবং এটি উসকানি প্রশমনের সহায়ক কোনো পদক্ষেপ নয়।
অপরদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলনস্কি রাশিয়া ও বেলারুশের মধ্যে এই মহড়াকে ইউক্রেনের ওপর ‘মনস্তাত্ত্বিক চাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বুধবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ইউরোপিয়ান ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে এক বৈঠকে তিনি বলেন, সীমান্তে সৈন্যবাহিনী জমা করা আমাদের প্রতিবেশীদের পক্ষ থেকে একটি মনস্তাত্বিক চাপ। এখানে আমরা নতুন কিছুই দেখছি না।
তিনি বলেন, এই ঝুঁকি আগেও সেখানে ছিলো। ২০১৪ সাল থেকেই সেখানে এই ঝুঁকি আছে।
সূত্র: বিবিসি।











