বিএনপির স্থায়ী কমিরি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এই সরকারের নানা মানুষ নানা দায়িত্বে। কেউ সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে। যারা সীমান্তের দায়িত্বে তাদের কাছে অস্ত্র আছে, তারা অন্যায় দেখলেও গুলি করতে পারে না। অপরদিকে ভারতের বিএসএফ পাখির মতো আমাদের দেশের মানুষকে একের পর এক গুলি করে মারছে। সেক্ষেত্রে কিন্তু সরকারের কোনো প্রতিবাদ নেই। আমরা ফারাক্কার পানি অনেক আগে থেকে পাই না। এমনকি তিস্তার পানিও আমরা পাচ্ছি না। কিন্তু উত্তর-পূর্ব ভারতে আমাদের ফেনী নদীর পানি মানবিক কারণে দেওয়া হচ্ছে। আমরা মানবিক কারণে পানি দিচ্ছি, যদিও আমাদের যথেষ্ট পানির অভাব রয়েছে। তাহলে ভারত থেকে পানি আনতে পারছি না কেন? এর জবাব কে দিবে?
শনিবার (৫ মার্চ) নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এখানে যারা পুলিশ প্রশাসনের লোকজন আছেন, হয়তবা তারাও আমাদের কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে এসেছেন। কারণ, আমাদের দাবিটা একটা মৌলিক বিষয়, এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে হবে। ঘুষ, দুর্নীতি আছে। সরকারি প্রশানের বিভিন্ন স্তরে পুলিশের নাম বেশি শোনা যায়। তারপরও কয়জন পুলিশ ঘুষ পায় বা খায়? ৯৭ ভাগ পুলিশই ঘুষ পান না। এই পুলিশের লোকজন বাজারে গেলে তাদের কাছ থেকে কম নেয় না। এমন তো না আমার কাছ থেকে বেশি নেয়, পুলিশের কাছ থেকে কম নেয়। সরকারকে বলব, মানুষের অভাবের কথা বলবে, তার সুযোগ কেন থাকবে না?
তিনি বলেন, গণমাধ্যমসহ সবাই বলে বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এই টাকা যদি পাচার না হতো, বাংলাদেশে বিনিয়োগ হতো। তাহলে অনেক শিল্পকলকারখানা হতো, কর্মসংস্থান হতো। আমাদের চাহিদা পূরনের পরও বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করতে পারতাম। আমাদের যুবক ভাইদের বৈধ অথবা অবৈধ উপায়ে বিদেশে যেতে হতো না। ভূমধ্যসাগরে পানিতে ডুবে মরতে হতো না।










