রাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর একটি ধর্ষণ মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে।
শনিবার (১২ মার্চ) ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিকেলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চাকপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম ওরফে কালু ডাক্তারের ছেলে।
ধর্ষণের শিকার মেয়ে, তার পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইম্পেরিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র। শুক্রবার (১১ মার্চ) রাত ৯টার দিকে তাকে সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের বারোঘরিয়া-বাজারপাড়া মহল্লায় একটি মেয়ের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা। পরে রাতে পুলিশ উপস্থিত হয়ে থানায় নিয়ে আসে মামুনকে। পরদিন শনিবার (১২ মার্চ) মেয়েটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।
জানা যায়, বারোঘরিয়া বাজারপাড়া মহল্লার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ছাত্রলীগ নেতা মামুনের। শুক্রবার রাতে সেই মেয়ের বাড়িতে কেউ ছিল না। সেই সুযোগে বাড়িতে আসলে মেয়েটির সাথে ঘরের মধ্যে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় স্থানীয়রা তাকে মারধর করে এবং পরে পুলিশ উপস্থিত হয়ে থানায় নিয়ে যায়।
ওই ছাত্রী বলেন, আমার বাবা বিদেশে থাকেন। মা বোনের বাসায় গিয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে বাড়ির দেওয়াল টপকিয়ে ঘরে প্রবেশ করে মামুন। পরে বাসায় আমাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক শারিরীক সম্পর্ক করে। পরে স্থানীয় ছেলেরা বিষয়টি টের পেয়ে হাতেনাতে ধরে।
মামলার বাদী ওই মেয়ের মা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল্লাহ আল মামুন আমার মেয়েকে উত্যক্ত করত। আমি বাসায় না থাকার সুবাদে ঘরে ডুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের পরামর্শে সমাধানে বসলেও সে (মামুন) বিয়ে করতে রাজি হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই মামলা দায়ের করেছি। আমরা ওর কঠোর শাস্তি চাই।










