ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদ, কথিত ‘গণকমিশন’ কর্তৃক দেশের সম্মানিত ১১৬ জন আলেম ও ১০০০ মাদরাসার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং ইসলাম ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের প্রতিবাদ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, শিক্ষা-সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষার সংকোচন বন্ধ, ইসলাম, দেশ ও মানবতাবিরোধী মদের বিধিমালা বাতিল, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে ইসলামী হুকুমত কায়েমের লক্ষ্যে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
আগামীকাল শনিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে
গণমিছিলের নেতৃত্ব দিবেন দলের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। বক্তব্য রাখবেন দলের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমসহ জাতীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। ইতোমধ্যেই গণমিছিলের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
পৃথক পৃথক বিবৃতিতে গণমিছিল সফলের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ডা. শহিদুল ইসলাম, জাতীয় তাফসীর পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ ও সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমান, সহ-সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ ও সেক্রেটারী জেনারেল এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, ইসলামী যুব আন্দোলন সেক্রেটারী জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইউনুছ ঢালী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বাছির উদ্দিন মাহমুদ, কওমী মঞ্চের সভাপতি মুফতী মুহাম্মদ তাসনিম প্রমুখ।










