লাখ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টায় ঈদের জামাত শুরু হয়। আয়োজকরা ধারণা করছেন, এবার শোলাকিয়ার ঈদ জামাতে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম এ ঈদ জামাতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন।
সকাল ৮টা থেকেই মুসল্লিতে কানায় কানায় পূর্ণ মূল মাঠ। জামাত শুরু হলে মাঠ ছাড়িয়ে আশেপাশের রাস্তা, ফাঁকা জায়গা, বাড়ি, বাড়ির ছাদে মুসল্লিরা দাঁড়িয়ে পড়েন নামাজে।
বেলা ১০টা বাজতেই ঐতিহাসিক এ জামাতের ইমাম আহ্বান জানান শোলাকিয়ার ১৯৬তম ঈদুল ফিতরের জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য।
দীর্ঘ দিনের রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিট, তিন মিনিট ও এক মিনিট আগে যথাক্রমে তিনটি, দু’টি ও একটি গুলির আওয়াজ করা হয় শটগানে। এরপর শুরু হয় ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত।
জেলা প্রশাসক মো: আবুল কালাম আজাদ, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মাশরুকুর রহমান খালেদ, জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো: জিল্লুর রহমান, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজসহ বিশিষ্টজনেরা এ জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য দিক নির্দেশনামুলক খুতবা দেন ইমাম। এরপর কাঙ্ক্ষিত মোনাজাত।











