সম্পূর্ণ নতুন, বেসামরিক ও গণতান্ত্রিক একটি সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে “তুর্কিয়ে শতাব্দীর” কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সম্ভব বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান।
“সেঞ্চুরি অফ তুর্কিয়ে” অথবা “তুর্কি শতাব্দী” মূলত প্রেসিডেন্ট এরদোগান কতৃক গৃহীত একটি বিপ্লবের নাম যা বিশ্বের প্রতিটি কোণে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও শান্তি বয়ে আনবে।
বুধবার (২১ জুন) তুরস্কের পার্লামেন্টে এরদোগান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যাক্তিদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে আমরা যে সংবিধান পেয়েছি তা দিয়ে কখনোই ‘তুর্কি শতাব্দী’ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।”
তিনি আরো বলেন, “আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের নতুন সংসদে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও মতাদর্শ ধারন করা যে ১৫ টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্বকারী রয়েছে তারা একটি নতুন ও বেসামরিক সংবিধান লেখার জন্য যথেষ্ট যোগ্য।”
এরদোগান আরো বলেন, “আমাদের সরকার তুরস্কের নাগরিক, শিল্পপতি, রপ্তানিকারক, কৃষক ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”
এছাড়াও তিনি মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য; “তুর্কি শতাব্দীর” অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, সামরিক ও কূটনীতির সকল ক্ষেত্রে তুরস্ককে বিশ্বের ১০ টি উন্নত রাষ্ট্রের একটিতে পরিণত করার।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











