হাজিরা দিয়ে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারী পরোয়ানা থেকে পার পেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর নির্বাচন কমিশন অবমাননা মামলার শুনানিতে হাজির হয়ে গ্রেফতার এড়াতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
এর আগে সোমবার (২৪ জুলাই) শুনানিতে বারবার সশরীরে অনুপস্থিত থাকায় বিশেষ ক্ষমতাবলে তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছিলো পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। তা বাস্তবায়নে ইসলামাবাদ পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। যার কপি ইমরান খানের উকিল ও পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ সংস্থার নিকট জমা দিয়েছিলো ইসলামাবাদ পুলিশ।
শুনানি কার্যক্রমে উপস্থিত ইমরান খানের উকিল শুয়াইব শাহিন এসময় শুনানির দায়িত্বে থাকা বিচারক ও নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ সংস্থাকে শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান।
তিনি বলেন, হাইকোর্টে পিটিআই চেয়ারম্যানের একত্রে ৫টি মামলা চলমান রয়েছে। ফ্রি হওয়া মাত্রই এই মামলার শুনানির জন্য তিনি এখানে এসে উপস্থিত হবেন।
ততক্ষণে বিরতির সময় হয়ে যায়। বিরতির পর পুনরায় মামলার শুনানি শুরু হলে ইমরান খান এসে উপস্থিত হোন। এসময় শুনানিতে তার উকিল বলেন, দেখুন, আমরা শুনানিতে উপস্থিত হয়েছি। কিন্তু আদেশের কপি এখনো পাইনি। এছাড়া শুনানি কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মামলার পরিপূর্ণ রেকর্ডও আমার কাছে নেই। কারণ এর আগে তার মামলা অন্যজন দেখাশোনা করছিলেন। আমি সদ্য নিযুক্ত হয়েছি। তাই আমার আবেদন থাকবে মামলা সংশ্লিষ্ট এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় মামলা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করা হোক।
আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার শুনানি ২ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।।তবে নির্বাচন কমিশনের সদস্য নিসার দুররানী বলেন, ২ আগস্টের শুনানিতেও ইমরান খানকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। সেদিনও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হবে।
অপরদিকে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাস্তবায়নের নিয়ম অনুসরণ না করায় আইজিপিকে তিরস্কার করেন নির্বাচন কমিশনের প্রধান আকরামুল্লাহ খান। ইসলামাবাদের আইজিপিকে তিরস্কার করে তিনি বলেন, পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) বাস্তবায়নের নিয়মকানুন কী আপনার জানা নেই? খোদ পিটিআই চেয়ারম্যানকে ওয়ারেন্ট কপি না দিয়ে কেনো তার উকিলকে দিতে গেলেন?
সূত্র: জিও নিউজ










