ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি আমেরিকা আগেই বাংলাদেশকে জানিয়েছিল এবং এই সংখ্যাটি বড় নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মাদ শাহরিয়ার আলম।
শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
শাহরিয়ার আলম বলেন, দুদিন আগেই আমাদের (নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে) জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল (নিউ ইয়র্কে) বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আংশিক আলোচনা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞায় পড়া ব্যক্তিদের সংখ্যা সম্পর্কে আমাদের একটি ধারণা দেওয়া হয়েছে।
আমেরিকা ওই তালিকা সম্পর্কে বলতে পারবে জানিয়ে তিনি বলেন, তালিকায় কারা আছে সেটি আমরা জানতে চেয়েছি। তবে সংখ্যাটি বড় নয়, এতটুকু বলতে পারি।
ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমরা দেখবো। প্রত্যাশা করবো, এটি যেন ন্যায্যতার ভিত্তিতে হয় এবং খেয়ালখুশি মতো না হয়। কয়েকজনের বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে— এখানেও প্রত্যাশা যে, সেটি যথেষ্ঠ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই সঠিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এটি তারা করছেন।
তিনি বলেন, যদিও এটি কোনও আনন্দের অভিজ্ঞতা নয়, তবে এরমধ্য দিয়েই আমাদের যেতে হবে। একই সঙ্গে এই বার্তাটিও আছে যে— নির্বাচনের আগে বিরোধী দলগুলো অতীতে যেভাবে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে; ভিসা নীতি ঘোষণার পরে তাদেরও কৌশলগত কিছু পরিবর্তন দেখেছি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি না যে, নির্বাচনের আগে আর কোনোধরনের সেরকম বিবৃতি আপনার দেখতে পাবেন। কারণ আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, এ ধরনের স্পর্শকাতর সময়ে (ভোটের আগে) কোনও ধরনের পদক্ষেপ বা বিবৃতি নাক গলানো বলে মনে হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা মনে করছে, আরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। কিন্তু আরও নিষেধাজ্ঞা আসার কোনও কারণ গত দুই বছরে ঘটেছে কি? র্যাবের নিষেধাজ্ঞা আসার পরে নতুন এমন কোনও কিছু কি ঘটেছে, যার ফলে আরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে? উত্তর হচ্ছে— না। এটি তো দিবালোকের মতো পরিষ্কার। কিন্তু তারপরও আপনারা এই প্রশ্নটি করছেন। এ ধরনের কথা বা ইঙ্গিত অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে… তারা না চাইলেও একটা প্রভাব ফেলতে পারে। এধরনের একটি আন্ডারস্ট্যান্ডিং থেকে আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, তারা যেন এধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন।











