spot_img
spot_img

আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকবো। ইলেকশনের পরে যদি আসতে পারি আবার করবো।

বাংলাদেশের রিজার্ভ এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যদি বলেন যে রিজার্ভ রক্ষা করতে হবে, তাহলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে দেই, পানি বন্ধ করে দেই, সার বন্ধ করে দেই, রিজার্ভ ভালো থাকবে।

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন আমদানি ও রপ্তানি, যাতায়াত ও যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই রিজার্ভ বেড়ে গিয়েছিল। তবে করোনার পর অর্থনৈতিক সব কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ার পর আমদানি বেড়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই রিজার্ভ আবার কমে গেছে।

তিনি বলেন, রিজার্ভ নিয়ে যদি এতো বেশি কথা হয় তাহলে, সরকার গঠন করার সময় রিজার্ভ যত ছিল, সেখানে নিয়ে গিয়ে আবার নির্বাচন করবেন। পরে ক্ষমতায় এসে আবার বাড়াবেন। বিদ্যুৎ শতভাগ থেকে নামিয়ে ২৮ ভাগে নিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীকে মাঝে মাঝে লোডশেডিং দিয়ে মানুষকে আগের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দেয়ার কথাও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেন, ২০০৯ সালে তারা যখন ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন তখন রিজার্ভের পরিমাণ ০.৭৭ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার সময় আড়াই মিলিয়ন ডলার রিজার্ভ ছিল। রিজার্ভ যেটুকু বেড়েছে তা আওয়ামী লীগ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, সবাই একটু টের পাক যে কী ছিল। আমরা তো ভুলে যাই। পয়সা দিয়ে তেল কিনে যখন জেনারেটর চালাতে হবে, তখন আক্কেলটা একটু ঠিক হবে যে হ্যাঁ এই অবস্থা তো ছিল।

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, সব গোছায় গাছায় দেওয়ার পরে ইলেকশনের কথা, ভোটের কথা, অর্থনীতির কথা, পাকা পাক কথা শুনতে হয়। আমি এটা শুনতে রাজি না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভ এখন ২১ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। তবে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশের নিট রিজার্ভ রয়েছে ১৮ বিলিয়ন ডলারের নিচে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ