কারাবন্দি থেকেও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে শতাধিক আসনে জয় পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থীরা।
কোনও দল নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় এখন জোট সরকার গঠনে শুরু হয়েছে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকা দেশটির নওয়াজ শরিফ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মাঝে ব্যাপক দর কষাকষি চলছে।
এর মাঝেই ইমরান খানের দলের সমর্থনে নির্বাচনে জয়ী হওয়া প্রার্থীদের নিজ নিজ দলে টানতে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দিচ্ছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। নির্বাচনের আগে পিটিআইয়ের নিবন্ধন বাতিল করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল আসনে জয় পেয়েছেন দলটির সমর্থিত প্রার্থীরা। পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, ফল প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে কোনও নিবন্ধিত দলে যোগদান অথবা সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে থাকতে পারবেন তারা।
কিন্তু জোট সরকার গঠন করা নিয়ে পিএমএল-এন ও পিপিপির মাঝে এখনও সমঝোতা না হওয়ায় পিটিআই-সমর্থিত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দলে ভেড়ানোর জন্য যোগাযোগ শুরু করেছে পিএমএল-এন। ইতিমধ্যে পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ী এক প্রার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে পিএমএল-এনে যোগ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।










