বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ বলেছেন, সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশে বারবার অগ্নিকণ্ডের ঘটনা ঘটছে। কোথায়ও আগুনের ঘটনা ঘটলে তখন এর জন্য বিভিন্ন বিষয় খুজা হলেও তা সংগঠিত হওয়ার কারণ ও সমাধানের কোনো ব্যবস্থা করা হয় না। সরকারের কর্তব্য প্রতিটি ভবনে আগুন নির্বাপক যন্ত্র আছে কি না তা ক্ষতিয়ে দেখা এবং প্রতিটি ভবনে নির্বাপক যন্ত্র লাগানো। তিনি বেইলী রোডের ভবনে কিভাবে আগুন লেগেছে তা সুষ্ঠু তদন্ত্র করে বের করার দাবী জানান। আগুনে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সনতপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ মহাকষ্টে আছে। মানুষের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো সমন্বয় নেই। জিনিসপত্রের দাম লগামহীনভাবে বেড়েই চলছে। জিনিসপত্রের দাম না কমিয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো কোনেভাবেই মানা যায় না। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।
তিনি সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে রমজানের আগে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে তাগুত গেড়ে বসেছে। তাগুত উৎখাতে দায়িত্বশীলদের যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বিতর্কিত পাঠ ঢুকিয়ে আগামী প্রজন্মকে ঈমানহারা করার চক্রান্ত। তাদের চক্রান্ত এদেশে সফল করতে দেওয়া হবে না। বিতর্কিত পাঠ বাতিল করুন। অন্যথায় পরিণতি ভালো হবে না।
তিনি আজ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে বাছাইকৃত শূরা সদস্যদের নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ মজলিসে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পুরানা পল্টনস্থ দারুল খিলাফাহ মিলনায়তনে সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলামের পরিচালনায় এতে দারসে কুরআন পেশ করেন যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী। বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অফিস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহসিনুল হাসান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ছানাউল্লাহ আমিনী প্রমুখ।
প্রশিক্ষণ মজলিসে বেইলী রোডে আগুনে নিহত ও আহতদের জন্য দুআ করেন।










