ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের চির দুশমন। তারা অসময়ে বাঁধ ছেড়ে দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। ভারতের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলে হবে।
তিন আজ রবিবার (২৫ আগষ্ট) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরীর উদ্যোগে বেলতলীস্থ মুজাহিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে তৃণমূল দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ফয়জুল করীম বলেন, আধিপত্যবাদী ভারত কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি করে ভারতের তাঁবেদার খুনি হাসিনার পরাজয়ে প্রতিহিংসা পরায়ণতার পরিচয় দিয়েছে। তারা পরিকল্পিত পানি আগ্রাসনে মেতে উঠেছে। বাংলাদেশের মজলুম জনসাধারণ ভারতের মানবতাবিরোধী অপরাধ কোনভাবে ভাল চোখে দেখছে না।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না এবং মাথা উঁচু করে দাড়াক তা চায় না। বাংলাদেশকে একটি নতজানু, তাঁবেদার ও পরনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। আধিপত্যবাদ ভারতের সকল অপকর্ম রুখে দিতে হবে। ভারতের অন্যায় আচরণের বিররুদ্ধে যে কোন কর্মসূচি সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করতে হবে। ভারতের সাথে আর কোন আপোষকামিতা চলবে না।
তিনি আরও বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে প্রতি বছর বর্ষাকালে চুবিয়ে ও শুকনা মৌসুমে শুকিয়ে মারছে ভারত। এ জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশ সরকারকে মামলা করে অধিকার আদায় করতে হবে, জাতিসংঘে বিষয়টি উত্থাপন করতে হবে।
বানভাসী মানুষের জন্য তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব না হওয়া পর্যন্ত আমাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআলস্নাহ।
ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমীর বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন হলেও সর্বত্র এখনো ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্বা রয়ে গেছে। জালিম সরকারের সকল অন্যায়ের বিচার করতে হবে। শেখ হাসিনার মতো একটি পুতুল ফ্যাসিবাদী সরকারকে আমাদের ওপর চাপিয়ে বন্ধুরাষ্ট্রের নামে ভারত এদেশে যেসব অনাচার করেছিল, আমরা তার কিছুই ভুলিনি। স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হবে।
দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজী বন্ধ করে মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি কথা মনে রাখতে হবে, এক দুর্নীতিবাজকে হটিয়ে আরেক দুর্নীতিবাজকে আমরা মেনে নিবো না। আমরা একটি অর্থবহ কল্যাণ রাষ্ট্র চাই।
মহানগর সভাপতি প্রফেসর লোকমান হাকীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে মহানগর নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখন।










