আগামীকাল (৫ নভেম্বর) দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখদের আহবানে অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইসলামী মহাসম্মেলন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক।
রোববার (৩ নভেম্বর) এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমরা দেখেছি দেশের মসজিদ- মাদরাসার যেকোনো সভা-সেমিনার এমনকি খতমে বুখারি অনুষ্ঠান করার জন্যও প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া লাগতো। এছাড়া তারা মসজিদ ও কওমি মাদরাসাগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতো বিভিন্নভাবে। দুঃখের বিষয় হলো, হাসিনা সরকারের পতনের পরও ওইসব পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। কিছু রাজনৈতিক দল ও প্রভাবশালীরা আওয়ামী লীগের মতো কওমি মাদরাসা-মসজিদে প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে। দখলের পায়তারা করছে। দেশের ওলামায়ে কেরাম এসব কিছুতেই মেনে নিতে পারে না।
তারা বলেন, দাওয়াত ও তাবলীগের শান্তিপূর্ণ কাজে বিশৃংখলা তৈরির জন্য মাওলানা সাদ সাহেবের অনুসারীরা তাকে ইজতেমায় আনা এবং প্রথম পর্বে ইজতেমা করার পায়তারা করছে। এসব বিষয় সামনে রেখে দেশের নতুন পরিস্থিতিতে দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনত, কওমি মাদরাসাগুলোর হেফাজত ও দ্বীনি জিম্মাদারী আরো সুচারুরূপে রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখদের আহ্বানে আগামী ৫ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী মহাসম্মেলন।
তারা আরও বলেন, আমরা এই মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব অপপ্রচারে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হয় সেজন্য সবাইকে সতর্ক করছি। সুশৃংখলভাবে দ্বীন রক্ষার এই সম্মেলন সফল করার আহ্বান জানাচ্ছি।
সম্মেলন সফল করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, এ মহাসম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ উপস্থিত থেকে ধর্মপ্রাণ সবাইকে সুচিন্তিত দিকে নির্দেশনা দেবেন। তৌহিদি জনতার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি একটি মহাসমুদ্রে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা এই মহাসম্মেলনে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।











