spot_img
spot_img

অনতিবিলম্বে উপদেষ্টা মাহফুজের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস

গতকাল সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অমর একুশে বইমেলায় ‘সব্যসাচী প্রকাশনা’র স্টলে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের নিষিদ্ধ বই রাখার প্রতিবাদ করায় তৌহিদী জনতাকে হুমকি দিয়ে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের দেওয়া ফেইসবুক স্ট্যাটাসের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস।

আজ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সাংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।

কামাল উদ্দীন বলেন, ব‌ইমেলায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির প্রাথমিক দায় প্রশাসনের। দীর্ঘ দিন বিদেশে বসে ইসলাম বিদ্বেষী ও দেশবিরোধী উস্কানি দেওয়া লেখিকার ব‌ই বেচাবিক্রি হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি‌। অনলাইনে অপপ্রচার রোধেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি অন্তবর্তীকালীন সরকার। এইসব ব্যর্থতার দায় ধামাচাপা দেওয়ার জন্য উপদেষ্টা মাহফুজ ‘তৌহিদী জনতা’কে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা করে গণ‌অভ্যুত্থানকারী পক্ষের মধ্যে ভাঙন তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, ইসলাম ও দেশ বিরোধী লেখিকা তসলিমা নাসরিনের ব‌ই বিক্রি করে দেশের আপামর জনসাধারণের বোধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় সব্যসাচী প্রকাশনী। বিষয়টি নিয়ে জনসাধারণে‌ বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হলে প্রকাশকের সাথে কথা বলার জন্য কয়েকজন সেই স্টলে যায় । তখন ‘মৌলবাদ নিপাত যাক’ এবং ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে এবং প্রতিবাদকারীদের উপর চড়াও হয় সব্যসাচীর প্রকাশক ভবো শতাব্দী। তখন চরম ধৈর্যের পরিচয় দেয় প্রতিবাদী জনতা। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে ‘ব‌ইমেলায় হামলা’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়। অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এই ঘটনায় তৌহিদী জনতাকে দায়ি করে তাদেরকে ঊনমানুষে পরিণত করার প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। সরকারের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে তাঁর এই পোস্ট চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার বহিঃপ্রকাশ। মাহফুজ আলমের পোস্ট জনগণকে হুমকি ও মিথ্যাকে আঁকড়ে থাকায় পূর্ণ। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অনতিবিলম্বে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার, ব‌ইমেলায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে দায়ী ও জনপরিসরে মিথ্যা তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ