spot_img
spot_img

সামনে যাকে পেয়েছি, তাকেই হত্যা করেছি: ইসরাইলি সেনা

নাম পরিচয় গোপন করে ফিলিস্তিনের গাজ্জায় চালানো গণহত্যার বর্ণনা দিয়েছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের কয়েকজন সেনা। তাদের বর্ণনায়, যতদূর চোখ গিয়েছে, চোখের সামনে যা কিছু পেয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে। যেখানেই কোনো ধরনের নড়াচড়া চোখে পড়েছে, গুলি করে তা স্তিমিত করে দেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনিরা যেন আর কোনোদিনই এখানে ফিরতে না পারেন, সেই ব্যবস্থাই করেছে সেনারা।

সময় সোমবার (৭ এপ্রিল) ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের এক প্রতিবেদনে বাফার জোনে থাকা কয়েকজন সেনার স্বীকারোক্তি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। দখলবিরোধী এই ভেটেরান্স গ্রুপের প্রতিবেদনে জানা গেছে, গাজ্জার ভূমি দখল করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবেই গাজ্জাকে ধ্বংস করেছে ইসরাইল প্রশাসন।

ইসরাইলের ট্যাঙ্ক স্কোয়াডে থাকা এক সেনা কর্মকর্তা জানান, বাফার জোনকে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করার ‘কিলিং জোনে’ পরিণত করা হয়েছে। ট্যাঙ্কগুলোর ৫০০ মিটারের মধ্যে কেউ এলেই তাকে গুলি করা হত, হোক সে নারী বা শিশু!

তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবরে তারা (হামাস যোদ্ধারা) আমাদের মেরেছে, তাই আমরা তাদের মারতে এসেছি। কিন্তু এখানে এসে দেখছি, আমরা শুধু তাদের নয়, তাদের স্ত্রী, সন্তান, কুকুর, বিড়াল সব কিছুই মারছি।

এসোসিয়েট প্রেসকে (এপি) নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই পাঁচ সেনা জানান, বাফার জোনের ফসলের মাঠ, সেচের পাইপ, শস্য, গাছপালা, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাগুলো ধ্বংসের জন্য ইসরাইল প্রশাসন থেকে বিশেষ নির্দেশ পেয়েছিলেন তারা। যাতে সেখানে হামাসের কোনো যোদ্ধা লুকিয়ে থাকার সুযোগ না পান। সেনারা জানান, তারা এত পরিমাণ স্থাপনা ধ্বংস করেছে, তা গুনেও বলতে পারবেন না।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ