তুরস্কে ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশের জন্য ইস্তাম্বুলের গালাতা ব্রিজে প্রায় ৫,২০,০০০ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। ‘আমরা ভয় পাবো না, আমরা চুপ করে থাকবো না, আমরা ফিলিস্তিনকে ভুলবো না’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এই র্যালীতে একত্রিত হয়েছিল ৪০০ টিরও বেশি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠন।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সমাবেশ ও র্যালীর আয়োজন করেছিল তুরস্কের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যালায়েন্স এবং ন্যাশনাল উইল প্ল্যাটফর্ম।
অংশগ্রহণকারীরা আয়াসোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদ, সুলতানাহমেত, ফাতিহ, সুলেমানিয়ে ও এমিনোনু ইয়েনি মসজিদসহ ইস্তাম্বুলের প্রধান প্রধান মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে দিন শুরু করেন। পরে সেখান থেকে দলবদ্ধভাবে তারা গালাতা ব্রিজের দিকে র্যালি নিয়ে যাত্রা করেন।
এ সময় তারা তুর্কি ও ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়ে, কেফিয়া পরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল, “ইস্তাম্বুল থেকে গাজ্জা, প্রতিরোধের প্রতি হাজারো শুভেচ্ছা” এবং “মুক্ত ফিলিস্তিন”।
ইলিম ইয়াইমা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিলাল এরদোগান জনতার উদ্দেশে ভাষণে তুরস্কের নাগরিকদের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ক্রমবর্ধমান সংহতির উপর জোর দেন।
অংশগ্রহণকারীরা ‘ফিলিস্তিনের জন্য ন্যায়বিচার, বিশ্বের জন্য বিবেক’ লেখা নানা ব্যানার বহন করেছিলেন, এছাড়া ইসরাইলের বর্বর কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে স্লোগান দিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবকরা পথ ধরে চা, স্যুপ এবং সিমিত সরবরাহ করেছিলেন।
পুলিশ মার্চের পথে কঠোর নিরাপত্তা বজায় রেখেছিল, কিন্তু আয়োজকরা সমাবেশটিকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি জনসমর্থনের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে আশা করেছেন যে ২০২৬ সালে গাজ্জায় ন্যায়বিচার, শান্তি এবং দুর্দশার অবসান ঘটাবে। তারা এই বিক্ষোভকে ইস্তাম্বুল থেকে বিশ্বের কাছে ‘সংহতির একটি শক্তিশালী বার্তা’ বলে অভিহিত করেছেন।











