ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, আমরা ইসলামের আলোকে দেশ পরিচালনা করার জন্য সমঝোতা করেছিলাম। কিন্তু যাদের সাথে সমঝোতা করেছিলাম তারাও বিদ্যমান আইনেই দেশ চালাবে বলে ঘোষণা দেয়ায় সেই সমঝোতা ত্যাগ করতে হয়েছে। তবে ইসলামের পক্ষে যে একবাক্স নীতি যেটা আমরা নিয়েছি সেটা এখনো অক্ষত আছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কুড়িগ্রাম-২ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুর বখতের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে বিদ্যমান আইন ও পুরোনো বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে কোটি মানুষ লড়াই করেছে। হাজার তরুণ-বৃদ্ধ-শিশু জীবন দিয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, অন্ধত্ব বরণ করেছে। এতো ত্যাগ ও রক্ত-জীবন উৎসর্গ করার পরেও যারা বিদ্যমান আইন ও পুরোনো বন্দোবস্তে দেশ চালাতে চায় তারা নির্বাচনের আগেই জুলাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। এদেরকে সুযোগ দেয়া যাবে না।
তিনি বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলো। রক্তের সাগর পড়ি দিয়ে স্বাধীনতা আসলেও বিগত দিনে যারা দেশ শাসন করেছে তাদের থেকে আমরা পেয়েছি খুন-গুম-হত্যা, টাকাপাচার। কারণ ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশের সংসদে ইসলাম ছিলো না।
তিনি আরও বলেন, পুরোনো আইনেই যদি দেশ চলবে তাহলে আবু সাঈদ, মুগ্ধদের কেন জীবন দিতে হলো? কেন এতোগুলো তাজা প্রাণ উৎসর্গ করা হলো? তাই বলবো, যারা দেশকে ভালোবাসেন, যারা জুলাইয়ের রক্তকে সার্থক করতে চান তারা আগামী নির্বাচনে হাতপাখা মার্কায় ভোট দিন। প্রিন্সিপাল নুর বখতের মতো শিক্ষাবিদ আলেম যদি সংসদে থাকে তাহলে কোন চাঁদাবাজ, কোন সন্ত্রাস বাংলাদেশে আশ্রয় পাবে না।











