বৃহস্পতিবার | ২৯ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়া হলেও বহাল থাকছে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

দখলকৃত ফিলিস্তিনের রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়া হলেও বহাল থাকছে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়া হলেও সাংবাদিকরা প্রবেশের অনুমতি পাবেন না বলে জানিয়েছে গাজ্জায় গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের এক সরকার প্রতিনিধি।

সোমবার এক শুনানিতে অবৈধ রাষ্ট্রটির সুপ্রিম কোর্টকে তিনি জানান, সরকার রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়ার অর্থ এই নয় যে, সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। কেননা সাংবাদিকদের প্রবেশ ইসরাইলের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (এফপিএ)–এর দায়ের করা একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ইসরাইলী সুপ্রিম কোর্ট এই শুনানির আয়োজন করে।

গাজ্জার বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে সরাসরি সম্প্রচার ও প্রতিবেদনের জন্য বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার দাবিতে এই আবেদন দাখিল করেছিলো সংবাদ সংস্থাটি।

অবৈধ রাষ্ট্রটির পত্রিকা দৈনিক হারেৎজ–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারপক্ষের প্রতিনিধি দাবি করেন যে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি দিলে তারা নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন, তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

বিচারপতি রুথ রোনেন এবিষয়ে বলেন, “শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা এবং কী ধরনের ঝুঁকি তা স্পষ্ট না করা যথেষ্ট নয়।”

গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া অবৈধ রাষ্ট্রটির বিচারপতি আরো বলেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। তবে বিচারকদের বেঞ্চের সিদ্ধান্ত হলো, এবিষয়ে ইসরাইলী সেনাবাহিনীর অবস্থান রুদ্ধদ্বার (ক্লোজড ডোর) অধিবেশনে শোনা হবে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ইসরাইলী সুপ্রিম কোর্টে এটি এধরনের দ্বিতীয় আবেদন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় দাখিল করা ১ম আবেদনটি আদালত গণহত্যার পক্ষ নিয়ে খারিজ করে দিয়েছিলো।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ‘ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন’ বর্তমান আবেদনটি ১৬ মাস আগে জমা দেয়। তবে গাজ্জা গণহত্যার বৈধতা দেওয়া আদালত ইসরাইল সরকারের অনুরোধে বারবার জবাব দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

এর আগে চলতি জানুয়ারির শুরুতে ইসরাইল সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিলো যে, গাজ্জায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা জরুরী। অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর খুনি সরকারের হয়ে একটি স্মারকলিপির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে এই অবস্থান তুলে ধরেছিলো।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ