ইরান-এর জাহাজ চলাচল ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র যে অবরোধ আরোপ করেছে, তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে একের পর এক ইরানি ও সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষণ ও শিপ ট্র্যাকিং ডেটা বলছে, অবরোধের মধ্যেও কয়েক ডজন জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ইরানি পতাকাবাহী জাহাজও রয়েছে।
শিপিং বিশ্লেষক ব্রিজেট ডিয়াকুন বলেন, অবরোধের শর্ত ও পরিধি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী তথ্য এবং বিলম্বিত ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জাহাজগুলো অনেক সময় নিজেদের অবস্থান গোপন করতে ট্রান্সপন্ডার সংকেত জালিয়াতি বা ‘স্পুফিং’ ব্যবহার করছে। এমনকি সমুদ্রেই এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তরের ঘটনাও ঘটছে, যা অবরোধকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, অবরোধ কার্যক্রম শুরুর পর অন্তত ২৬টি ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ প্রতিহত করা হয়েছে এবং ‘এমভি তুসকা’ নামের একটি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, হরমুজ প্রণালির মতো কৌশলগত জলপথে অবরোধ বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জটিল এবং তা সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করা কঠিন।
সূত্র, আল জাজিরা।











