দখলকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের ধ্বংসলীলার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, এসব ধ্বংস অভিযান দখলকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি দুর্বল করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।
হামাস বলেছে, “পশ্চিম তীরে ব্যাপক ও ক্রমবর্ধমান ধ্বংস অভিযান, যার লক্ষ্য আমাদের জনগণকে তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা, আমাদের জনগণের অবিচলতা ও দৃঢ়তার কারণে সফল হবে না।”
হামাসের বক্তব্য, এই ধ্বংস অভিযান ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও জনপদ থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের ভূমির সঙ্গে সম্পর্ক ও অঙ্গীকারকে দুর্বল করতে পারবে না।
পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-খলিল এলাকার জারি করা সাম্প্রতিক নোটিশ এবং ধ্বংস অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে হামাস। সংগঠনটির মতে, দখলকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে পরিচালিত বৃহত্তর নীতির অংশ হিসেবেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
হামাস আরও বলেছে, এসব পদক্ষেপ দখলকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুসালেমে ইসরাইলের চলমান নীতির সঙ্গে যুক্ত। একইসঙ্গে এগুলোকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে চলমান পরিস্থিতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে।
ধ্বংস অভিযান বন্ধে ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিভিন্ন দেশের সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
সংগঠনটি পশ্চিম তীর ও জেরুসালেমে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ধ্বংস বন্ধ করতে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে প্রতিদিনের লঙ্ঘন মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি ধ্বংসনীতিকে ঘিরে চলমান বিরোধের মধ্যেই হামাসের এই বিবৃতি এলো। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও অধিকার সংগঠনগুলোর বক্তব্য, নির্মাণ অনুমতির ওপর বিধিনিষেধের কারণে বহু জনপদ ধ্বংস আদেশের ঝুঁকিতে পড়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর











