spot_img
spot_img

আমেরিকার বৈষম্যের শিকার ইরান ও ইরাক ফুটবল দল

ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬ খেলতে আসা অতিথি দেশ ইরান ও ইরাকের সাথে অন্যায্য ও বৈষম্যমূলক আচরণ করছে এর প্রধান আয়োজক রাষ্ট্র আমেরিকা। রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে দেশ দুটিকে অদ্ভুত কঠোর ভিসা ও আবাসন নীতি এবং নিরাপত্তা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষত, ইরান ফুটবল দলকে নিজেদের বেইস ক্যাম্প স্থাপন করতে হয়েছে অপর আয়োজক দেশ মেক্সিকোয়।

ট্রাম্প সরকারের “প্রেসিডেন্সিয়াল প্রোক্লেমেশন ১০৯৯৮” অনুযায়ী তারা আমেরিকাতে ও ম্যাচের শহরে প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছে ম্যাচ শুরুর মাত্র ১দিন পূর্বে। যেখানে বাকি দেশগুলো ফিফার নিয়ম অনুসারে ৩ থেকে ৫ দিন পূর্বে ম্যাচের শহরে গিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।

এছাড়া এবারের বিশ্বকাপ আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোর মতো বিশাল ভৌগোলিক অংশজুড়ে হওয়ায় দূরত্ব ও ক্লান্তির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে ফিফা। রিকভারি সেশন ও হালকা বিশ্রাম স্বরূপ ম্যাচ শেষে আয়োজক শহরে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত অবস্থানের নতুন নীতি কার্যকর করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে এর থেকেও বঞ্চিত হতে হচ্ছে ইরান ও ইরাক ফুটবল দলকে। ম্যাচ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই তাদের স্টেডিয়াম ও শহর ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে।

এই বৈষম্যমূলক নীতির ধকল ইরানের উপর দিয়েই বেশি যাচ্ছে। কেননা ইরাককে ম্যাচ শেষে শহর ছাড়তে হলেও, তাদের ইরানের তুলনায় স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতে হচ্ছে। দেশটি আমেরিকার অঙ্গরাজ্য ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বেইস ক্যাম্প স্থাপন করতে পেরেছে। অপরদিকে ইরানকে পাড়ি দিয়ে যেতে হচ্ছে মেক্সিকোর সুদূর সীমান্ত শহর তিজুয়ানাতে।

সংঘাত পরবর্তী আমেরিকাকে চুক্তির টেবিল পর্যন্ত নিয়ে যেতে ও সাক্ষর করাতে সফল হওয়া দেশটির ফুটবল দল ইতিমধ্যে গ্রুপ পর্বের একটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের সাথে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল, দুই দুই গোলে ড্র হয়।

গ্রুপ পর্বের আরো দুটি ম্যাচ বাকি রয়েছে দেশটির। দুটোর ভেন্যুই পড়েছে আমেরিকায়, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটল শহরে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ