spot_img
spot_img

আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার পরিকল্পনার খবর অস্বীকার করল ইসরাইল

শান্তি আলোচনা চলাকালে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরাইল, এমন খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেল আবিব।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য অস্বীকার করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন ‘ভুয়া খবর’ এবং ‘বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিকৃতি’।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আমেরিকার বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, চলতি বছরের শুরুতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে চলা আলোচনার সময় ইরানি আলোচকদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরাইল। আমেরিকার কর্মকর্তারা এমনটাই বিশ্বাস করতেন।

আমেরিকার দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইসরাইলের অন্যতম প্রধান কৌশল ছিল ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা।

সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি থেকে শুরু করে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানিসহ বহু উচ্চপদস্থ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ রয়েছে।

আমেরিকার কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল, যুদ্ধের সবচেয়ে উত্তপ্ত পর্যায়ে আরাগচি ও গালিবাফও ইসরাইলের বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। তবে তারা মনে করতেন, এই দুই কর্মকর্তাকে হত্যা করা হলে শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্চ মাসে জানিয়েছিল, আরাগচি ও গালিবাফ ইসরাইলের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিলেন। তবে যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার পর আমেরিকার অনুরোধে সাময়িকভাবে তাদের নাম সেই তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস আরও জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন জানতে পারে যে অন্তত গালিবাফ ইসরাইলের টার্গেট তালিকায় রয়েছেন। এরপর ওয়াশিংটন ইসরাইলকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনের ১২ দিনের যুদ্ধ এবং চলতি বছরের সংঘাতে পাহাড়ের নিচে নির্মিত একটি গোপন বাঙ্কারে জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের বৈঠকে হামলার সময়ও গালিবাফ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।

তিনজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার দাবি, উভয় ক্ষেত্রেই তাকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

সূত্র: আল-জাজিরা, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ