ভারি বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ তিন পার্বত্য জেলা। চট্টগ্রাম বিভাগে এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরীসহ বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হলেও তা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন বানভাসীরা। তবে গতকাল দুপুর থেকে ভারি বৃষ্টি না হওয়ায় বানভাসি মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় বানের পানিতে ডুবে বৃদ্ধ ও শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন একজন।
এদিকে বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সকাল থেকে বৃষ্টি কমে আসায় জেলা শহরের কয়েকটি নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।
নতুন করে বৃষ্টি না হওয়ায় সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে প্লাবিত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা। বানভাসীদের ত্রাণ সহায়তায় মাঠে রয়েছে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবি। অন্যদিকে রাঙ্গামাটিতে বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতির এখনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাঘাইছড়ি ও বিলাইছড়ির ফারুয়া এলাকায় পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও জেলার অনেক এলাকা এখনও পানির নিচে। দুর্গত মানুষের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ত্রাণের সংকট রয়েছে।
দুর্গম এলাকায় নৌকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিতে কাজ করছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। রাঙ্গামাটিতে এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১ জন।










