spot_img

নয়াদিল্লিতে ককরোচ পার্টির কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার নিন্দা জাতীয় যুবশক্তির

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলা, লাঠিচার্জ এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের তরুণদের সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি (এনসিপি)।

একই সঙ্গে আন্দোলনকারী তরুণ-তরুণীদের ন্যায়সংগত ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সোমবার (২০ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাতীয় যুবশক্তির পক্ষ থেকে এ উদ্বেগ ও সংহতি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশ, সমাবেশ ও প্রতিবাদ করার অধিকার নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতার অংশ। বলপ্রয়োগ কিংবা দমনমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো আন্দোলন দমন করা যায় না। যেকোনো মতপার্থক্যের অবসান সংলাপ, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিত।

সংগঠনটি জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়ম ও পাবলিক পরীক্ষায় ক্রমাগত প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির তরুণ-তরুণীরা আন্দোলনে নেমেছিলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওই আন্দোলনে পুলিশি বলপ্রয়োগ, লাঠিচার্জ এবং নেতাদের আটক করার ঘটনা নাগরিক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

জাতীয় যুবশক্তি মনে করে, তরুণদের ন্যায়সংগত দাবি দমন না করে গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে তাদের বক্তব্য শুনলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।

ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, অনভিপ্রেত এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

সংহতির বার্তায় সংগঠনটি আরও জানায়, ন্যায়, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে পরিচালিত যেকোনো আন্দোলন কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তা বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক চেতনার অংশ।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ