ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।
বুধবার (২৯ জুলাই) লোকসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। তার বক্তব্যের পরপরই লোকসভায় হট্টগোল শুরু হয়।
রাহুল গান্ধী দাবি করেন, গত ২০ জুলাই দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই পুলিশ বলপ্রয়োগ করেছে।
তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের শরীরে পেলেট ঢুকেছে। ভারতের ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের বলপ্রয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কেবল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীরই থাকে।’
রাহুলের এ মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দাবি করে বলেন, ‘কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ করা যায় না।’
বক্তব্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাহসের প্রশংসা করেন রাহুল। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) দেশের শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেছে। তার দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।
রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও তা কেবল প্রতীকী হবে। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যত আরএসএস পরিচালনা করছে।
অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল বলেন, দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনেই কাজ করে। তাই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেওয়া পুলিশি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেই দিতে হবে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










