কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, সরকারকে দুর্বল করতেই লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বছরের ২৮ আগস্ট লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে গেলেও শাপলা চত্বরের মামলায় তার সম্পৃক্ততা থাকলে তখনই তাকে গ্রেপ্তার করা হতো।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি খোন্দকার মো. আবুল হাসনাত কিসমতের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, লতিফ সিদ্দিকী আদালতে জানিয়েছেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি ক্রিসেন্ট কমিটির সদস্যও নন।
তিনি বলেন, আমেরিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে লতিফ সিদ্দিকী যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তার উদ্দেশ্য ছিল বোঝানো যে জয় রাস্তাঘাটের ছেলে নন, তিনি বঙ্গবন্ধুর নাতি। এ ধরনের বিষয়ে তার আরও সংযতভাবে কথা বলা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ওই বক্তব্য ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তৎকালীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা দলীয় প্রধানের কাছে অভিযোগ করেছিলেন।
লতিফ সিদ্দিকীর জামিন প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আমরা তার জামিনের জন্য চেষ্টা করব। এরপর যা হওয়ার হবে।”
তিনি আরও বলেন, “লতিফ সিদ্দিকী আদালতে বলেছেন, ‘আপনারা পারলে আমাকে ফাঁসি দিয়ে দেন।’ আমিও আমার ভাইয়ের সঙ্গে একমত। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, কাউকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দেওয়া হলে তার সব অপরাধ ক্ষমা হয়ে যায় এবং তার জন্য বেহেশতের দরজা খুলে যায়।”
কাদের সিদ্দিকী বলেন, পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ নিয়ে লতিফ সিদ্দিকী অন্তত ৪০ বার কারাবরণ করেছেন। বাংলাদেশেও প্রয়োজনে তিনি কারাভোগ করবেন।
তবে দেশে ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। গণতান্ত্রিকভাবে দেশ পরিচালিত হোক, এটিই তাদের প্রত্যাশা বলেও জানান কাদের সিদ্দিকী।










