চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে উলামায়ে কেরাম ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবদান নিয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।
তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে উলামায়ে কেরাম ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে উলামায়ে কেরাম ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবদান নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করা প্রয়োজন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দ্বীনী শিক্ষার্থী ও আলেম-ওলামার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মানুষ তার ঘরেও নিরাপদ ছিলো না। ভয়ে মানুষ মুখ খুলতো না। কথা বলা ও লেখার স্বাধীনতা ছিলো না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে মানুষ তার বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। মানুষ ইচ্ছেমতো সরকারের সমালোচনা করতে পারছে।
তিনি আরও বলেন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার ন্যায় ভুয়া জুলাই যোদ্ধার আবির্ভাব দেখা যায়। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিকুল্লাহ বাকী নদভীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস্ এর গভর্নর মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা কাজী মোহাম্মদ সেলিম রেজা।
আলোচনা সপভায় আরও অংশ নেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিকুল্লাহ বাকী নদভী,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস্ এর গভর্নর মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা কাজী মোহাম্মদ সেলিম রেজা, সম্মিলিত ইমাম খতিব পরিষদের আমীর মুফতী আবু আজহারুল ইসলাম, মহাসচিব মুফতী শরীফ উল্লাহ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন, দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি এমএ বারী প্রমুখ।










