spot_img

দণ্ডিত পলাতকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে শহীদ পরিবারকে অর্থ দেওয়া হবে: প্রধান কৌঁসুলি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত পলাতক আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের পর তা বিক্রি করে পাওয়া অর্থ শহীদ পরিবারের মধ্যে বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত পলাতক আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের পর তা বিক্রি করে পাওয়া অর্থ শহীদ পরিবারের মধ্যে বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু হতে যচ্ছে। তবে এ ধরনের কোনো নজির ট্রাইব্যুনালে ছিলো না, “এবার প্রথমবারের মত এ প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে।”

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তবে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে আইনি জটিলতা রয়েছে “ট্রাইব্যুনালের রুলস অব প্রসিডিউরে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো গাইডলাইন নেই। আমরা আইনকানুনগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি। সেখানে আমাদের রুলস অব প্রসিডিউরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন নাই। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনে কী ধরনের বিধান রয়েছে এবং সরকার অন্য কোনো আইন প্রয়োগ করে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এসব আদেশ বাস্তবায়ন করতে পারে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা হচ্ছে। দ্রুতই এ বিষয়ে ফলাফল দেখা যাবে।

তিনি বলেন, কোনো আসামি বিচার মোকাবিলা না করে পলাতক থাকলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিচার চলতে পারে। তবে আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনা, আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় কার্যকর করার সুযোগ নেই। পলাতক আসামির বিরুদ্ধে আদালত দণ্ড ও জরিমানার আদেশ দিতে পারে। তবে রায় কার্যকরের জন্য আসামিকে পাওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। কেউ যদি দেশের বাইরে চলে যায়, আমাদের তো একটা আইনগত প্রক্রিয়া থাকে আনতে হয়। সেই আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যেও সরকার চেষ্টা করছে।

প্রধান কৌঁসুলি বলেন, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা ও নরসিংদীর মত এলাকার একাধিক ঘটনা আলাদাভাবে তদন্ত না করে সেগুলো একত্র করে একটি তদন্তের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই সবগুলো বিষয়কে একীভূত করে আমরা তদন্তের আওতায় নিয়ে আসব। তাতে আমার সময় বাঁচবে এবং একটা তদন্তের মধ্যে সবগুলো বিষয় আমি তুলে নিয়ে আসতে পারব।

তিনি বলেন, চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের লক্ষ্য হচ্ছে, আমরা তদন্ত এবং বিচার দুইটাই যাতে আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করা যায়। এটা নিয়ে আমরা যেন বছরের পর বছর না ঘুরি। শহীদ পরিবার, যারা আহতদের পরিবার, তাদের তো বিচার দ্রুত পাওয়ার একটা আকাঙ্ক্ষা আছে। আমরাও চেষ্টা করছি, সে আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দ্রুত তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিত করতে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ