দেশের শীর্ষ মাদক কারবারিদের নিরপেক্ষভাবে তালিকাভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানের মূল হোতাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে কক্সবাজারের হিলডাউন সার্কিট হাউজে মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা প্রস্তুতে টাস্কফোর্স কমিটি কাজ করবে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাদক চোরাচালানের যেসব রুট রয়েছে, সেসব এলাকায় ক্যাম্প স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যৌথ বাহিনী অথবা সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো এসব এলাকায় ক্যাম্প স্থাপন করবে।
তিনি আরও বলেন, সমতলের পাশাপাশি নদীপথ ও সমুদ্রপথে মাদক চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্যের প্রবেশ ঠেকাতে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, ক্যাম্পগুলোতে আগে স্থাপন করা ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার অনেকগুলো বর্তমানে অকার্যকর বা নষ্ট হয়ে গেছে। সেগুলো পুনরায় স্থাপন ও কার্যকর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ক্যাম্পের ভেতরে যারা বিভিন্ন ধরনের মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত কিংবা বাহক হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সংশোধিত আইনে ডগ স্কোয়াড গঠন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের অস্ত্র সরবরাহ এবং অভিযানে থাকা সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের বিষয়টি রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া মাদকদ্রব্য শনাক্ত ও পরীক্ষার জন্য দেশের প্রতিটি জেলায় আলাদা ল্যাবরেটরি স্থাপনের বিষয়টিও আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে বলেও জানান তিনি।










