spot_img

হেফাজত আমীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগামী রবিবার ফটিকছড়ি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর ও বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমেদ্বীন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া নিতে আগামী রবিবার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে তিনি ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও তার দোয়া গ্রহণ। একই সফরে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী অতিথি হিসেবে অংশ নেন। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ না হলেও সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আল্লামা বাবুনগরীর নামাজ আদায়ের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে প্রধানমন্ত্রী ফোনে আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দৌহিত্র মাওলানা আজিজুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ শেষে বসুন্ধরা রিসার্চ সেন্টারে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু পরদিন থেকে রমজান মাস শুরু হওয়া এবং বাবুনগর মাদরাসায় খতমে তারাবির দায়িত্বে থাকার কারণে ঢাকায় অবস্থান করা সম্ভব নয় বলে আল্লামা বাবুনগরী প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ফটিকছড়িতে এসে আল্লামা বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দোয়া নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে প্রধানমন্ত্রীর ফটিকছড়ি সফর হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে ফটিকছড়ির সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। উপজেলা জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মহলে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বিশেষ করে বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন এবং হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

এ সফর ঘিরে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিপ্যাড নির্মাণ, অনুষ্ঠানস্থল প্রস্তুত, সড়ক সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ