সৌদি আরবের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীর হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। একই সঙ্গে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি পাকিস্তানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শাহবাজ শরিফ বলেন, “সৌদি আরবের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হুথিদের কাপুরুষোচিত হামলার আমি কঠোর নিন্দা জানাই। এসব হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন।”
তিনি বলেন, এ ধরনের হামলা নিরপরাধ মানুষের জীবন এবং পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তার দেশ সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মাদ বিন সালমান এবং সৌদি জনগণের সঙ্গে অবিচল সংহতি প্রকাশ করছে। পাশাপাশি হামলায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।
এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও পৃথক বিবৃতিতে সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরানের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে ইসলামাবাদ বলেছে, এসব হামলা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং পুরো অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিজেদের ভূখণ্ড, নাগরিক ও জাতীয় সম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সৌদি আরবের অধিকারকে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তান।
সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক শহর ও জ্বালানি স্থাপনায় হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আগুন ধরে যায় এবং কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।
হুথি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছেন, আবহা, নাজরান ও জাজানে সৌদি আরামকোর স্থাপনা এবং খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
সূত্র : রয়টার্স












