আফগানিস্তানে কোনো বিদেশি গোষ্ঠী সক্রিয় নেই এবং দেশটির ভূখণ্ড অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার মুখপাত্র মাওলানা জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ।
টোলো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাওলানা মুজাহিদ বলেন, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার উপস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে চালানো প্রচারণা। দেশটিতে এ ধরনের গোষ্ঠীর উপস্থিতির কোনো প্রমাণ নেই।
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “এসব দাবি ও প্রচারণা কিছু পক্ষপাতদুষ্ট মহল ও গোয়েন্দা গোষ্ঠীর কাছ থেকে আসতে পারে। তারা উত্তেজনা উসকে দিতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতার পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। এ ধরনের প্রচারণার পেছনে তারাই থাকতে পারে। বাস্তবতা হলো, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেয় না। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাও দেখাচ্ছে, বিদেশি গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতির কোনো প্রয়োজন নেই।”
সম্প্রতি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপর নজরদারির দায়িত্বে থাকা জাতিসংঘের একটি সংস্থার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার ২৫ বছর পর আল-কায়েদা আবারও আফগানিস্তানে প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করেছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত তিন বছরে গোষ্ঠীটি আফগানিস্তানে অন্তত আটটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করেছে।
সামরিক বিশ্লেষক ইউসুফ আমিন জাজাই বলেন, “আমার দৃষ্টিতে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমেরিকার করা অতিরঞ্জন। এর লক্ষ্য হলো পরিস্থিতিকে আবারও স্পর্শকাতর হিসেবে তুলে ধরা এবং এ অঞ্চলে আমেরিকার উপস্থিতির পক্ষে একটি যুক্তি তৈরি করা। বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়।”
ইমারাতে ইসলামিয়া বারবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করেছে যে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড অন্য কোনো দেশের জন্য হুমকি তৈরি করবে না। তবে মনে হচ্ছে, এসব আশ্বাস কিছু দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি।
সূত্র : টোলো নিউজ












