spot_img
spot_img

স্বাস্থ্যসেবায় জাপানের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত

দেশের সবাইকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা এবং স্বাস্থ্য খাতকে ভবিষ্যৎমুখী ও টেকসই করে গড়ে তুলতে জাপানের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব চেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে জাপানি বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ হেলথকেয়ার বিজনেস সেমিনার’-এ পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ভিডিও বার্তায় ডা. এম এ মুহিত বলেন, সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে জাপানি বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের সর্বস্তরের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা এবং স্বাস্থ্য খাতকে টেকসই করতে জাপানের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সেমিনারে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, টিকাদান কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি জাইকা ও জাপানকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৭ কোটির বেশি জনসংখ্যার বাংলাদেশে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক হাসপাতাল অবকাঠামো, রোগনির্ণয় ব্যবস্থা, চিকিৎসা প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়ছে। একইসঙ্গে জাপানের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য নার্স ও সেবাকর্মীর চাহিদা রয়েছে। প্রশিক্ষিত বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীরা জাপানের এই চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প, জৈবপ্রযুক্তি, টিকা ও ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদন খাতে জাপানি বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী।

সেমিনারে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহ ইমাম আলী রেজা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস দুটি পৃথক উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

এ ছাড়া জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক তেতসুয়া ইয়ামাদা, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ-৪-এর উপপরিচালক হিরোকি সাসাকি এবং জেট্রোর বৈশ্বিক কৌশল বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ইউজি আন্দো বাংলাদেশ ও জাপানের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা, উন্নয়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

জাপানি প্রতিষ্ঠান ইয়োগলেনা কোম্পানি লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নাও নিত্তা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সেমিনার শেষে প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ