ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জনগণকে সহায়তা করার বিষয়ে জাতিসংঘের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা। মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখা, আরও ভালো সুযোগ সৃষ্টি করা এবং সব আফগানের জীবনযাত্রার উন্নয়নে জাতিসংঘের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতিসংঘের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, যুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর আশা জাগানো, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
রাবাব ফাতিমা বলেন, আফগানিস্তান ১৯৪৬ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য। প্রায় আট দশক ধরে কঠিন সময় ও অগ্রগতির বিভিন্ন পর্যায়ে জাতিসংঘ আফগান জনগণের পাশে রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, খরা, বাস্তুচ্যুতি, সংঘাত ও মানবিক সংকটের সময় জাতিসংঘ এবং এর অংশীদাররা আফগানদের সহায়তায় কাজ করেছে।
আফগান জনগণের দৃঢ়তা ও সংকল্পের প্রশংসা করে তিনি বলেন, অসংখ্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও নারী, পুরুষ, তরুণ, সমাজের প্রবীণ, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং মানবিক সহায়তাকর্মীরা নিজেদের জনগোষ্ঠীর সেবা করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, “আফগানিস্তানের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো বড়, কিন্তু দেশটির জনগণের মেধা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা তার চেয়েও বেশি।”
আফগানিস্তানে নিজের দায়িত্ব শুরুর প্রসঙ্গে ফাতিমা বলেন, দেশটির জনগণ, সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। আফগানদের আকাঙ্ক্ষা ও দৃষ্টিভঙ্গি শোনা এবং তাদের পাশে থেকে কাজ করার বিষয়ে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আফগান জনগণকে সহায়তা করার বিষয়ে জাতিসংঘের অঙ্গীকার অব্যাহত রয়েছে। মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখা, আরও ভালো সুযোগ সৃষ্টি করা এবং সব আফগানের জীবনযাত্রার উন্নয়নে জাতিসংঘ কাজ করে যাবে।
বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ আফগান জনগণের। সেই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে তাদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।
সূত্র : পাজওয়াক আফগান নিউজ











