ভারতে নারী পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (০১ জুন) রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী দাবকপাড়া কালিয়ানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পনেরশতেরও অধিক নারীকে ভারতে পাচার করে এ চক্র।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, মেহেদী হাসান বাবু, মহিউদ্দিন ও আব্দুল কাদের।
বুধবার (০২ জুন) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শহিদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাচারে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পাচারের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল, একটি ডায়েরি, চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ভারতীয় সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ভারতে পাচার হওয়ার ৭৭ দিন পর কৌশল দেশে ফেরা এক কিশোরী মঙ্গলবার ঢাকার হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই পাচার চক্রের শিকার হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার নারী।
তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার শহিদুল্লাহ বলেন, হৃদয় বাবুর মামলা তদন্ত করতে গিয়ে আমরা পাচারের শিকার আরেক নারীর সন্ধান পেয়েছি। তিনি ভারতে পাচারের পরে তিন মাস বন্দিদশায় ছিলেন। সেখানে থেকে পালিয়ে আসেন। গতকাল তিনি হাতিরঝিল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৭, ৮, ১০ ও ১১ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর ৩। ওই মামলার এজাহারনামীয় ১২ আসামির মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশে অবস্থান করছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া মেহেদী হাসান বাবু মামলার বাদীসহ এক হাজারের বেশি নারীকে পাচারে জড়িত বলে স্বীকার করেছে। তিনি প্রায় আট বছর ধরে মানব পাচারে জড়িত। অন্য দুই আসামি মহিউদ্দিন ও আব্দুল কাদের পাঁচ শতাধিক নারীকে ভারতীয় দালালের হাতে তুলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।











