ভারতের মহামারী করোনাভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৪ লাখের মতো মানুষ। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৯০ লাখের মতো মানুষ। তবে সুস্থ হওয়া সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। তাদের অনেককেই ফের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের কারণে চোখের দৃষ্টিশক্তি ঘোলা হয়ে যায়, চোখের পাতা নিচের দিকে ঝুঁকে পড়া বা নাক দিয়ে তরল নিঃসরণ হয়।
নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে জানা যায়, এরইমধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে ২১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি।
ওয়াশিংটন পোস্ট দীর্ঘ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডায়াবেটিস আছে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল- এমন ব্যক্তিরা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে মুক্তির একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে আক্রান্ত স্থান থেকে ফাঙ্গাসকে কেটে ফেলে দেওয়া। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই আক্রান্ত স্থানটি হচ্ছে চোখ। ফলে অনেককেই বেঁচে থাকতে চোখ বাদ দিতে হচ্ছে। এতে রুটি-রুজি হারিয়ে অনেককে দুর্দশায় পড়তে হচ্ছে।
ভারতের করোনা রোগীদের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ভারতের যেসব প্রদেশে করোনার সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি তার একটি মহারাষ্ট্র। প্রদেশটির রাজধানী মুম্বাইয়ের ওকুলোপ্লাস্টিক সার্জন অক্ষয় নায়ার মিউকোরমাইকোসিস রোগের চিকিৎসা দেন। তিনি বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে মাংসপেশীকে গ্রাস করে, টিস্যুগুলো ধ্বংস করে দেয়।












