spot_img
spot_img

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নেয়া ৯৮ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নেওয়া ৯৮ শতাংশ মানুষের দেহে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)।

সোমবার (২ আগস্ট) সকালে বিএসএমএমইউ এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এর আগে বিবিসির খবরে বলা হয়, অ্যাস্ট্রাজেনেকা অথবা ফাইজারের যেকোনো একটি টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর করোনাভাইরাসে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে।

গবেষণাটি বলছে, অন্য সব বয়সীদের মতো ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রেও টিকা একইভাবে কাজ করে। দ্য অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস (ওএনএস) ও ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের গবেষণা অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ডের টিকা নেওয়ার পর সব বয়সী মানুষের শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিবডির খোঁজ পেয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, দুটি টিকার নেওয়ার পর সবার মধ্যে কার্যকর প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড দিয়ে বাংলাদেশে গণটিকাদান শুরু হয় চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে জানুয়ারিতে এ টিকা দিয়ে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ সিরাম থেকে এ টিকা কেনে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন কোটি ৪০ লাখ ডোজ টিকা দেয়ার কথা সিরামের।

তবে ভারতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানটি টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এমন বাস্তবতায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সংকটে পড়ে দ্বিতীয় ডোজ নেয়া বন্ধ হয়ে যায় অনেকের।

তবে কোভ্যাক্সের আওতায় জাপান দুই দফায় ১০ লাখের বেশি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ডোজ পাঠানোয় সে সংকট অনেকটা কেটে গেছে। সোমবার থেকে ঢাকা বিভাগে শুরু হয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া। সে ডোজ নিতে ভিড় দেখা গেছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ