বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, করোনার কারণে নয় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছিল সরকার। এজন্য এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও নজরদারিতে রাখার কথা বলছে। সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর কথা বলছে। এতেই প্রমাণিত হয় যে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছিল।
শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহল কবির রিজভী বলেন, আজকে পৌনে দুই বছরের পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নজরদারিতে থাকবে। সিসিটিভি বসাবে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদেরকে নির্দেশনা দিচ্ছে। তাহলে প্রমাণিত হয় যে ইচ্ছা করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে সরকার। এ কারণেই নজরদারিতে রাখার কথা বলছে। আসলে করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়নি। এখন বুঝা যাচ্ছে যে এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যেন শিক্ষার্থীরা সরকারের দু:শাসন ও অন্যায় এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে না পারে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ খাদ্যের জন্য হাহাকার করলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪১ জনের বিশাল বহর নিয়ে বিদেশে ভ্রমণে গেছেন। করোনা সঙ্কটে জাতি যখন দিশেহারা, ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে গেছে মানুষ, তখন দেখছি ক্ষমতার অপব্যবহারের নামে জৌলুস। প্রধানমন্ত্রী ১৪১ জনের বিশাল বহর নিয়ে গেছেন আমেরিকায়। এর আগে তিনি ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি গেছেন ভাগ্নিকে দেখতে। সেখান থেকে গেলেন নিউইয়র্ক। এমন কী জরুরি কাজ ছিল ফিনল্যান্ড?
বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের নিজেদের স্বজন ও দলের লোকজন যেন জনগণের টাকা লুট করতে পারে এজন্যই কুইক রেন্টাল আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে পাঁচ বছর। লুটপাটের সংস্কৃতি চালু রাখতেই এটা করা হয়েছে। যা ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে বর্তমান সরকার গণদুশমনের সরকার।











