ওরস মাহফিলের নামে দেশজুড়ে মুরিদ জোগাড় করে সরকারি চাকরি, ফ্ল্যাটের মালিকানা ও স্থানীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে মুরিদদের থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তথাকথিত পীর আবদুল মোতালেব। শেষ পর্যন্ত ওই ভণ্ড পীরকে প্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, প্রতারণার মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থের বেশিরভাগই আমোদ-ফূর্তিতে খরচ করেছেন কথিত এই পীর।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, সে বিভিন্ন সময় মুনাজাত করে, ওরস করে টাকা কামাতো। এর মাধ্যমে মহিলাদের সঙ্গেও অন্তরঙ্গ হতো। এসব করে ব্যাপক টাকা কামিয়েছে। এই লোকটা দামি-গাড়ি ছাড়া চলাচল করে না। দলবাজির পেছনে টাকা খরচ করতো।
নিজেকে নির্মাণ শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি দাবি করা এই ভণ্ড পীর বলেন, প্রতারণায় অর্জিত অর্থের বেশিরভাগই তিনি তুলে দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা লীগের কোষাধ্যক্ষ শেখ আক্তারি বেগম পারুলের হাতে।
তবে আক্তারি বেগম তার এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, মোতালেবকে আমি চিনিও না, জানিও না। সে আমার নাম ভাঙিয়ে এসব করেছে। আমি তার বিচার চাই।
ভণ্ড পীর আবদুল মোতালেব ঢাকার উত্তরাতে রাজউক প্রকল্পের আওতায় ফ্ল্যাটের মালিকানা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেও টাকা হাতিয়েছেন।
প্রতারিতরা বলেন, তিনি চাকরির জন্য নিয়েছেন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। আর ফ্ল্যাটের জন্য নিয়েছেন ৬০ হাজার টাকা। বলেছে ১ মাসের মধ্যে চাকরি হয়ে যাবে। এরপর দু‘আ করে দিয়েছেন সবাইকে।












