বৃহস্পতিবার | ১ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

আগামী প্রজন্মকে সৃজনশীল করতে পুষ্টিজাতীয় খাবার ব্যবস্থা করা সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আগামী প্রজন্মকে সৃজনশীল ও মেধাবী করা লক্ষ্যে পুষ্টিজাতীয় খাবার দেওয়াটাই সরকারের লক্ষ্য। জাপান চার বেলা ভাত খায়, কিন্তু তাদের প্রতিদিন একেকজনের কনজামশন ২০০ গ্রামেরও কম। সেখানে আমরা আগে একেকজন প্রতিদিন ৪৩০ গ্রাম চাল খেতাম, এখন সেটা কমে ৩৭০ গ্রামে এসেছে। ধীরে ধীরে কমছে। মানুষের যেহেতু আয় বাড়ছে, মানুষ এখন শাক সবজি, ফলমূল, ডিম, মাছ, মাংস— সেদিকেই বেশি যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ কমিটির এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ধানের জাত এবং চাষাবাদ কী হওয়া উচিত, যেগুলোর উপরেও আমাদের বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা একটি বিষয় ছিল। আমরা আমরা চাল জাতীয় খাবারে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। যদি ভালো আবহাওয়া থাকে আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। আমরা খাদ্যে উদ্বৃত্ত থাকি। কিন্তু এখন আমাদের লক্ষ্য হলো পুষ্টি জাতীয় খাবার। এটি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছি, আমরা পুষ্টিজাতীয় খাবার এবং সি ফুড মানুষকে দেবো— এটাই এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ। এটা করার জন্য কৃষিকে আধুনিকীকারণ করতে হবে। আমরা যান্ত্রিকরণ করছি। আমরা কৃষিপণ্যকে যান্ত্রিকীকরণ করবো প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে। আমাদের কৃষকদের আয় বাড়াতে হবে, তাদের জীবনযাত্রার মান বাড়াতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী তার বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে অভিযোগ করে বলেন, এ কথা আমি আরেকদিন বলেছি, আমাদের এক মিডিয়ার সাংবাদিকদের ফোরামে। ৭৭টি মিডিয়া আমার বক্তব্য কাভার করেছে। একটি ভূইফোঁড় পত্রিকা; তারা নিউজ করেছে আমি নাকি বলেছি— মানুষ ভাত বেশি খায় এ জন্য চালের দাম বেড়ে গেছে। এ ধরনের কথা আমি কোনোদিনই বলি না, আমি এ প্রসঙ্গই আনিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন আর বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে এখন আর ওইভাবে সাহায্য নিতে হয় না। বিদেশি অনেক অর্থনীতিবিদদের আমাদের নেত্রী আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ এসেছে এটা টিকে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিজ্ঞানীরা বিআর-৬৭ নামে একটা জাত আবিষ্কার করেছে। ইনশাল্লাহ, এটা উপকূলীয় অঞ্চলেও উৎপাদন হবে। আমরা গমের জাত আবিষ্কার করেছি, যা উষ্ণ অবস্থার মধ্যে অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তন হোক আর না হোক আমরা প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করার জন্য প্রস্ততি নিচ্ছি। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশে কৃষিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ