মঙ্গলবার | ৩ ফেব্রুয়ারি | ২০২৬
spot_img

তবে কী করোনায় ভর করে মাইক্রোচিপ নির্ভর মানবদেহের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে আগামীর বিশ্ব!

ইনসাফ | নাহিয়ান হাসান


শরীরে স্থাপনযোগ্য করোনার ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চিপ আবিষ্কার করেছে সুইডিশ বায়োলজিকাল মাইক্রোচিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডিসরাপ্টেড সাবডার্মালস।

হাতে কিংবা বাহুর ভেতর স্থাপনযোগ্য ভ্যাকসিন মাইক্রোচিপ পাসপোর্ট ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছে এই সুইডিশ কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর হ্যানেস জোব্লাডের বক্তব্য মতে, ভিন্ন ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হতে থাকা করোনাকে সামাল দিতে ভ্যাকসিন ও বুস্টার ডোজের প্রয়োজন যেমন হচ্ছে তেমনি ক্ষেত্রবিশেষে ভ্যাকসিন পাসপোর্টও প্রদর্শন করতে হচ্ছে কোভিড-১৯ এর টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে। ভ্যাকসিন পাসপোর্ট বহন কিংবা প্রদর্শনের ঝামেলা এড়াতেই তাদের এই চিপের আবিষ্কার।

হ্যানেস জোব্লাড বলেন, আমি নিজেই আমার হাতে চিপ স্থাপন করেছি। এর প্রোগ্রাম আমি এমনভাবে সাজিয়েছি যাতে চিপে থাকা আমার ভ্যাকসিন পাসপোর্ট সবসময় আমার জন্য উপলব্ধ থাকে। তাছাড়া অন্যকেউ যদি জানতে চায় আমি নিরাপদ কি না বা আমার স্বাস্থ্যের অবস্থা কেমন? উদাহরণ স্বরূপ শপিংমল, সিনেমা হল অথবা বিমানবন্দর, তবে তারা খুব সহজেই আমার ভ্যাকসিন গ্রহণের অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে। যদিও আমার স্মার্টফোন আমার সাথে না থাকে!

আল জাজিরায় প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে এসময় তাকে তার হাতে থাকা চিপের সাথে প্রোগাম করা একটি স্মার্টফোন নিজ হাতে টাচ করাতে দেখা যায়। স্মার্টফোনটি তার হাত স্পর্শ করতেই টিপ টিপ করে চামড়ার ভেতরে থাকা চিপের বাতি জ্বলে উঠে আর স্মার্টফোন আনলক করতেই স্ক্রিনে তার ভ্যাকসিন পাসপোর্টের রিপোর্ট ভেসে উঠে।

মাইক্রোচিপটি কীভাবে কাজ করে এই সম্পর্কে বর্ণনা দিতে গিয়ে ডিসরাপ্টেড সাবডার্মালসের এই এমডি বলেন, এটির কোনো ব্যাটারি নেই। এটি নিজে নিজে কোনো সিগন্যালও প্রেরণ করতে পারে না। সুতরাং বলা যায় চামড়ার ভেতর এটি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। এটা কখনোই আপনার অবস্থান জানান দিতে পারবে না। এটা শুধুমাত্র তখনই সক্রিয় হবে যখন এটাকে স্মার্টফোন দিয়ে টাচ করা হবে।

জোব্লাডের বক্তব্য থেকে আরো জানা যায়, চালের মতো দেখতে ভ্যাকসিন মাইক্রোচিপ পাসপোর্টটির উন্নত সংস্করণ ব্যবহার করতে হলে জনপ্রতি ১০০ ইউরো করে গুনতে হবে যার পরিমাণ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৯ হাজার ৭শত ৬টাকা। আর তা চামড়ার নীচে স্থাপিত অবস্থায় প্রায় ৩০ বা ৪০ বছর সচল থাকতে সক্ষম বলেও জানা যায় যেখানে যেকোনো ধরণের পরিধেয় হেলথ ওয়্যারের মেয়াদ হয়ে থাকে ২ থেকে ৩ বছর!

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ