ইরানে হামলা শুরুর আগে আমেরিকা সম্ভাব্য ব্যয়ের যে হিসেব দিয়েছিল, ইতোমধ্যে তার দ্বিগুণ ব্যয় হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস।
ইরানে হামলার বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমেরিকার কর্মকর্তা জুলস হার্স্টের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলা শুরুর আগে আমেরিকার প্রাথমিক হিসেব ছিল, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই অভিযানে ব্যয় হতে পারে ২৫০ কোটি ডলার।
তবে বাস্তবে গত দুই মাসে এই হামলার পেছনে আমেরিকার ব্যয় ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বর্তমানে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। এই বিরতি শেষ হয়ে আবার যুদ্ধ শুরু হলে হামলার ব্যয় আরও বাড়বে।
হার্স্ট বলেন, এমনকি এখন যদি যুদ্ধ থেমেও যায়, তাহলেও ব্যয় বাড়বে। কারণ গত প্রায় দুই মাসে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আমেরিকার যত সেনাঘাঁটি আছে, সবগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সেসব ঘাঁটি আবার মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে। এটা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ।
সেনাঘাঁটির পাশাপাশি যুদ্ধাস্ত্রের ক্ষয়ক্ষতিও ব্যয় বৃদ্ধির আরেকটি কারণ। সিবিএসকে হার্স্ট বলেন, যুদ্ধে এ পর্যন্ত আমরা শুধু এমকিউ-৯ ড্রোন হারিয়েছি ২৪টি। একেকটি ড্রোনের দাম ৩ কোটি ডলার। এছাড়া বিমান, হেলিকপ্টার ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র এবং সামরিক যান তো আছেই।
সূত্র: আনাদোলু











