বিএনপি মহাসচিব মির্জ ফখরুখ ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, বাংলাদেশে কয়জন নেতা আছেন যারা এত ত্যাগ স্বীকার করেছেন? খালেদা জিয়া আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক, আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি আছেন বলেই এখনো গণতন্ত্রের সংগ্রাম চলছে, আমাদের শত্রুরা সীমান্তে ভয় পায়। এখনো আওয়ামী লীগ আছে খালেদা জিয়া দেশে আছেন, বেঁচে আছেন বলেই। তা না হলে আওয়ামী লীগ থাকবে না।
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া জনগণের সঙ্গে থেকে লড়াই-সংগ্রাম করেছেন রাজপথে। ২০০৮ সাল থেকে আবার এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে কারা নির্যাতন ভোগ করছেন। ১৯৭১ সালে তার সংগ্রাম শুরু হয়েছে। এরপর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যেদিন হত্যা করা হলো, সেদিন আবার বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার জন্য, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের পতাকা তুলে ধরার জন্য এবং মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি রাস্তায় নেমেছিলেন। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন পথে-পথে, গ্রাম থেকে গ্রামে, বন্দর থেকে বন্দরে। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নব্বইয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে একানব্বইয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
সেই নেত্রীকে আপনারা বন্দি করে রেখেছেন। কারণ আপনারা জানেন, তাকে যদি বন্দি করে রাখা না যায়। তাকে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য না পাঠানো যায়, তিনি যদি জীবন থেকে চলে যান তাহলে আপনাদের পথের কাঁটা দূর হবে। জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছিল যারা, তারা ভেবেছিল বোধ হয় শেষ হয়ে গেল বিএনপি। তা হয়নি। একটি কথা বলতে চাই, খালেদা জিয়া সঠিকভাবে তার উত্তরাধিকারী নির্বাচন করেছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এবং তার নেতৃত্বে সেই পতাকা আমরা তুলবো, বলেন বিএনপি মহাসচিব।










