পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলায় ৩১ জন শহীদ ও ১৬৯ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এআরওয়াই নিউজের এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাওয়ালপিন্ডির উপকণ্ঠে একটি মসজিদে আজ একটি আত্মঘাতী হামলার হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৩১ জন নামাজি শহীদ ও ১৬৯ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, হামলাকারী ব্যক্তির সাথে ফিতনাতুল খাওয়ারিজের সংশ্লিষ্টতা ছিলো। তাকে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় গেটের কাছে থামানো হলে, নিজেকে সে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়।
এছাড়াও জানানো হয় যে, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র, বিস্ফোরণে শহীদদের মধ্যে ইসলামাবাদের আইজি’র এক চাচাতো ভাইও রয়েছেন বলে উল্লেখ করে।
হামলাকারীর পরিচয় সম্পর্কে সরকারি সূত্রে দাবী করা হয় যে, আত্মঘাতী হামলাকারী ব্যক্তি আফগানিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলো। সে একাধিকবার আফগানিস্তান সফর করে এবং কিছুদিন আগে সেখান থেকে দেশে ফিরে।
সরকারি সূত্র আরও জানায়, পাকিস্তানে সংঘটিত এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে ভারতের যোগসাজশ রয়েছে।
এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী শাহবাজ সরকারের পক্ষ থেকে আহতদের দেখতে পিমস হাসপাতালে যান। তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিশেষ চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
এই ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নিন্দা জানান। গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। শহীদদের মাগফেরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িতরা দেশটির নাগরিক হলেও দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও পুতুল সরকার খ্যাত শাহবাজ শরিফের সরকার এরজন্য প্রতিনিয়ত আফগানিস্তানকে দায়ী করে থাকে। যদিও আফগান ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার এসব দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে থাকে এবং এরজন্য পাক সরকার ও প্রশাসনের ব্যর্থতাই প্রধানত দায়ী বলে বর্ণনা করে।











