একটা সময় ছিল লোকজন পায়ে হেটে, উট-ঘোড়ায় চড়ে কিংবা জাহাজে করে হজ্বের সফরে বের হতো। হাজ্বিদেরও খুব ঘটা করে বিদায় দেয়া হতো আর চাওয়া হতো কল্যাণের দোয়া। হাজ্বিরাও তাদের দু’আ কামনা করতেন।
কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উম্মতদেরকে হাজ্বিদের কাছে দোয়া চাওয়ার এবং কোনো মুসলিমের অনুপস্থিতিতে অপর মুসলিমের দোয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। যা ইবনে আব্বাস (রা.) সূত্রে বায়হাকিতে বর্ণিত রয়েছে।
উসমানী আমলেও এর বেশ চর্চা হতো। আল্লাহর ঘরের মেহমান হতে যাওয়া হাজ্বিদের অনেক ঘটা করে বিদায় দেওয়া হতো। পরস্পরে চাওয়া হতো কল্যাণের দোয়া।
সম্প্রতি তুরস্কের ছোট একটি প্রদেশ কিরশেহিরে আবার উসমানী আমলের সেই রীতির অবতারণা ঘটে।
কিরশেহিরের বাসিন্দারা তাদের এলাকা থেকে বের হওয়া হজ্ব কাফেলাকে সম্মান জানাতে ও পরস্পর দোয়া চাওয়ার উদ্দেশ্যে ক্বাসাবী স্কয়ারে সমবেত হয়। তাদের কাছে হাদিসের শিক্ষা অনুযায়ী দোয়া চাওয়া হয়। হাজ্বিরাও তাদের জন্য দোয়া কামনা করেন।
হাজ্বিদের বিদায়কে কেন্দ্র করে এসময় এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় প্রাচীন আনাতোলিয়ান এই নগরীটিতে।
সূত্র: আল জাজিরা











