গণহত্যাকারী সরকারের পতনের পর সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙ্গে পরায় সর্বত্র লুটতরাজ, বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তাহীনতার কারণে মানুষের ভেতর তীব্র অসন্তোষ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমাল রক্ষা সহ যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা মহানগরগীরসহ সারাদেশের জেলা-মহানগর এবং উপজেলা পর্যায়ে যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংগঠনটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়ী-ঘর, ধর্মীয় উপাসনালয় রক্ষা, থানা ও বিভিন্ন স্থাপনা রক্ষায় পাহারাদারের কাজ করছে ইসলামী আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন, শ্রমিক আন্দোলনসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে করে মানুষ স্বস্তিবোধ করছে।
গত রবিবার থেকে জেলা ও মহানগরীতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কোনো পুলিশকে দেখা যায়নি। এতে করে এক প্রকার বিশৃঙ্খল অবস্থায় যান চলাচল করছে। ফলে যানজটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিল। এরমধ্যে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, লুটপাট ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়ী-ঘরে হামলার ঘটনা থেকে রক্ষায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়ধ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই’র নির্দেশে সারাদেশে নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে পড়ে। এধরনের ঘটনা সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে মানুষের মাঝে এ সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আলাদা একটি আস্থার জায়গা তৈরি হয়।
দলটির নেতাকর্মীরা মাথায় টুপি, গায়ে লম্বা জুব্বা ও স্বেচ্ছাসেবীদের পোশাক গায়ে দিয়ে হাতে কাঠের লাঠি নিয়ে সড়কের মোড়ে মোড়ে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। ইউএনও অফিস থানাসহ সব সরকারি স্থাপনা পাহারা এবং ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলের শিক্ষার্থী ও নেতা-কর্মীরা। জেলা-উপজেলা সড়কের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করছেন। এমন দৃশ্য দেখে অবিভূত সাধারণ মানুষ। তাদের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য যে কোন দুর্যোগ বন্যা, খরা, করোনা মহামারিতে এ সংগঠনটি ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে। করোনা মহামারির ফলে যখন কেউ কারো কোন কাজে আসছে না, এমনকি আত্মীয়স্বজনরাও করোনায় মৃতদের কাছে না আসায় অনেকের লাশ দাফনহীন অবস্থায় ছিলো। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মীরা সারাদেশে শত শত করোনায় মৃতদের লাশ দাফন করে ব্যাপক আলোচনায় আসে।










