বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) জরুরী মিটিং শেষে এবিষয়ে একটি বিবৃতি দেয় দেশটির সরকার।
বিবৃতিতে বলা হয়, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটি এনএসসির বৈঠকে বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী সামরিক অভিযান পরিচালনার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছে সরকার। দেশকে সন্ত্রাসবাদের হুমকি মুক্ত করতে এই সেনা অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দেশব্যাপী সেনা অভিযানের ঘোষণা এমন মুহুর্তে এলো যখন দেশটিতে মারাত্মক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাও ঘটছে দেশটিতে।
সম্প্রতি বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত মুসলিম প্রধান দেশটির গোয়েন্দাদের বিশেষ অভিযানে আটক হন বিচ্ছিন্নতাবাদী বেলুচ নেতা গুলজার ইমাম ওরফে শাম্বী।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুসারে নিষিদ্ধ সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ ন্যাশনালিস্ট আর্মির এই নেতার সাথে ভিনদেশী গোয়েন্দাদের উঠা-বসারও প্রমাণ পায় দেশটির টপ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স।
এছাড়া পাকিস্তান সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী সম্প্রতি তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের সক্রিয়তা বৃদ্ধিও দেশব্যাপী সেনা অভিযান পরিচালনার অন্যতম কারণ।
জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৪ সালে দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছিলো তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। অভিযানে দেশটির কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিলো। প্রায় ১ মিলিয়ন নাগরিক বাস্তুচ্যুত হওয়ার পাশাপাশি কয়েক শত লোক নিহতও হয়েছিলো সর্বশেষ অভিযানটিতে।
তাই বর্তমান করুণ পরিস্থিতিতে শাহবাজ সরকার কর্তৃক দেশব্যাপী সেনা অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নও উঠাচ্ছেন দেশটির সাধারণ ও বিশিষ্ট নাগরিকগণ।
সূত্র: আল জাজিরা











