সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক সহায়তা চাইলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে পাকিস্তান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের সম্ভাব্য বিমান হামলার অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে হুথিদের শক্ত ঘাঁটি সাদা ও আশপাশের এলাকা। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সৌদি আরবের ওপর হামলা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে কার্যকর করতে পারে। চুক্তি অনুযায়ী সদস্য তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর আগ্রাসনকে সবার ওপর আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
জিও নিউজকে তিনি বলেন, ইয়েমেনের সংঘাত সৌদি ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়লে চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার বিষয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। প্রয়োজন হলে পাকিস্তান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবে।
খাজা আসিফ আরও বলেন, এটি একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরাও তার প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে। তবে চুক্তিটি আক্রমণাত্মক প্রকৃতির নয় এবং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে নিজ উদ্যোগে হামলার জন্য এটি করা হয়নি।
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনী। এসব হামলায় ৭৩ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন ধরে যায়।
এর জবাবে ইয়েমেনে হুথি অবস্থানে হামলা জোরদার করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী। বুধবারও ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ৪০টির বেশি বিমান হামলার কথা জানিয়েছে হুথিরা।
এ অবস্থায় সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে মক্কা চুক্তির আওতায় সহায়তা চাইলে পাকিস্তানের সরাসরি সামরিকভাবে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ইয়েমেনে বিমান হামলা চালানোর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্র : জিও নিউজ












