ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস জানিয়েছে, কায়রোতে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর ইসরাইলের সঙ্গে গাজ্জা যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে “গ্রহণযোগ্য সমাধান-পন্থায়” পৌঁছানো গেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম আনাদোলুকে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, মিসরের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আলোচনায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়া পক্ষগুলোর কাছ থেকে “গ্রহণযোগ্য সমাধান-পন্থা” পাওয়া গেছে।
হাজেম কাসেম বলেন, গাজ্জায় গণহত্যা বন্ধের জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি দল মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি “নমনীয় ও ইতিবাচক” মনোভাব দেখিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এখন বল দখলদার ইসরাইল এবং বোর্ড অব পিসের কোর্টে। বোর্ড অব পিসের প্রতিনিধিত্ব করছেন এর নির্বাহী পরিচালক নিকোলায় ম্লাদেনভ। এখন তাদের দায়িত্ব হলো গাজ্জা উপত্যকায় শান্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব ও পূর্ণ বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া।”
ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজ্জায় ইসরাইলের গণহত্যায় প্রায় ৭৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
গাজ্জার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি সেনাবাহিনী প্রায় প্রতিদিন হামলা চালিয়েছে। এসব প্রায় প্রতিদিনের হামলায় ৯৭৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩ হাজার ৯৭ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর











